তেহরানে ইসরায়েলের দ্বিতীয় দফার হামলা; নতুন করে ৩০টি ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর আঘাত
ব্যালিস্টিক মিসাইল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমানের অভিযান; আকাশজুড়ে উত্তাল পরিস্থিতি
ইরানে ইসরায়েলের ‘দ্বিতীয় ওয়েভ’ হামলা
পশ্চিম ও মধ্য ইরানের ৩০ ঘাঁটিতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমানের আক্রমণ
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই ইরানে হামলার তীব্রতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। আজ রবিবার (১ মার্চ) সকালে পশ্চিম ও মধ্য ইরানের অন্তত ৩০টিরও বেশি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF)। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
🚀 সামরিক অভিযানের লক্ষ্যবস্তু:
- 🎯 ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা: গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
- 🎯 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) অকেজো করতে বিশেষায়িত হামলা পরিচালনা করেছে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান।
- 🎯 সরকারি স্থাপনা: ইসরায়েল জানিয়েছে, সামরিক সদর দপ্তর ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তাদের আক্রমণ অব্যাহত থাকবে।
ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর বক্তব্য: এক সামরিক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী জানিয়েছে, “সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সুনির্দিষ্ট নির্দেশে আমাদের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো ধ্বংস করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।”
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ: আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল বর্তমানে ইরানের পাল্টা হামলা চালানোর সক্ষমতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে চাইছে। তেহরানের আকাশে এখনো উত্তাপ বিরাজ করছে এবং একের পর এক বিস্ফোরণে প্রকম্পিত হচ্ছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো। ইরান এখন পর্যন্ত তাদের ক্ষয়ক্ষতির কোনো আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করেনি।