নওগাঁয় মুকুলে ছেয়ে গেছে আমবাগান; বাম্পার ফলনের স্বপ্নে বিভোর চাষিরা
জেলায় এবার ৪ লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
মুকুলে মুকুলে ভরে উঠেছে নওগাঁর আমবাগানগুলো। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গতবারের চেয়ে এবার গাছে মুকুল এসেছে অনেক বেশি। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে ওঠা সোনালী মুকুলের শোভায় ভালো ফলনের স্বপ্নে বিভোর চাষিরা। নওগাঁ জেলায় ধানের পরেই আমের ওপর সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন কৃষকরা।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এবার জেলায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির বাগানে আম চাষ করা হয়েছে। গত বছর ফলন বিপর্যয় হওয়ায় উৎপাদন কম হলেও এবার ৪ লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আম চাষ হচ্ছে সাপাহার ও পোরশা উপজেলায়, যেখানে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বাগানে কেবলই মুকুলের সমারোহ।
সাপাহার ও পোরশার আম চাষি সোহেল রানা ও মেহেদী হাসান জানান, গতবারের তুলনায় এবার ৮০ শতাংশের বেশি গাছে মুকুল এসেছে। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আম চাষের উপযোগী থাকায় মুকুলে ছত্রাকের আক্রমণ তেমন নেই। তবে বালাই নাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়ছে। বাগান মালিকরা এখন কৃষি বিভাগের পরামর্শে মুকুল ও গুটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় স্প্রে ও সেচ প্রদান করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।