জাতীয় নির্বাচন শেষ হতে না হতেই কালিহাতীতে উপজেলা নির্বাচনের আলোচনায় এসএমএ খালিদ
কৃষিবিদ এসএমএ খালিদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সমর্থকরা; সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব উপস্থিতি
গত ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর এবং ১৭ তারিখ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এখনো নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও কৃষিবিদ এস এম এ খালিদকে ঘিরে জনসমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এস এম এ খালিদকে কালিহাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে পোস্ট দিচ্ছেন তাঁর সমর্থকরা। তাঁকে একজন “যোগ্য, শিক্ষিত ও দক্ষ সংগঠক” হিসেবে তুলে ধরে আগামী উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য তৃণমূল থেকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
তৃণমূলের প্রত্যাশা ও অভিজ্ঞতা:
সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এস এম এ খালিদ উপজেলা পর্যায়ে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। বিশেষ করে স্থানীয় উন্নয়ন, কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তাঁর মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
নির্বাচনী সক্রিয়তা: সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কালিহাতী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এস এম এ খালিদ। ওই সময় তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া স্বাভাবিক। তবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং দলীয় সিদ্ধান্তের ওপরই চূড়ান্ত প্রার্থিতা নির্ভর করছে। এস এম এ খালিদ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য না দিলেও তাঁর সমর্থকদের সরব প্রচারণা কালিহাতীর রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন মেরুকরণের আভাস দিচ্ছে।