যেভাবে সীমান্ত থেকে গ্রেফতার হলেন হাদী হত্যার মূল ঘাতক ফয়সাল
মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ; বনগাঁয় পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন ফয়সাল ও আলমগীর
গ্রেফতারের নেপথ্যে: বনগাঁয় যেভাবে ধরা খেলেন খুনিরা
মেঘালয় হয়ে ভারতে প্রবেশ; ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে ফয়সাল-আলমগীর
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনের গ্রেফতারের রোমহর্ষক বিবরণ প্রকাশ করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। শনিবার (৭ মার্চ) রাত ও রবিবার ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
🚨 গ্রেফতারের রোমহর্ষক ঘটনাপ্রবাহ:
- 👣 অনুপ্রবেশের রুট: হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর পলায়ন করে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।
- 🗺️ পলায়ন জীবন: ভারতের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করার পর তারা শেষমেশ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকা বনগাঁয় এসে আস্তানা গেঁড়েছিলেন।
- 🔄 বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা: এসটিএফ জানায়, আসামিরা বনগাঁ থেকে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন, তখনই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
- ⚖️ আদালতের রায়: আটকের পর তাঁদের স্থানীয় আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এসটিএফের বিজ্ঞপ্তি: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল (৩৭) ও ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর (৩৪) বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধ করে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন।
আইনি প্রক্রিয়া: এসটিএফ জানিয়েছে, এই ঘটনায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ভারতে আত্মগোপনে থাকা আরও কোনো অপরাধী চক্রের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
