‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প চূড়ান্ত: পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে বগুড়া থেকে
মাসে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা ও পণ্য সুবিধা; ঈদের আগেই কার্ড বিতরণের লক্ষ্য সরকারের
ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প চূড়ান্ত
বগুড়া থেকে যাত্রা শুরু হচ্ছে সরকারের মেগা প্রকল্পের
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম স্তম্ভ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষে পরীক্ষামূলক (পাইলট) কার্যক্রমের চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিপরিষদ কমিটি মাত্র চার দিনের মাথায় এই নকশা চূড়ান্ত করেছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
📋 প্রকল্পের মূল আকর্ষণ ও সুবিধাসমূহ:
- ✔
আর্থিক সহায়তা: প্রতিটি কার্ডধারী পরিবারকে মাসে ২,৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। - ✔
রেশন সুবিধা: রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপণ্যে বিশেষ ভর্তুকি ও অগ্রাধিকার। - ✔
প্রথম পর্যায়: ঢাকার বাইরে বগুড়া জেলা দিয়ে পাইলট কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ৮ বিভাগের ৮টি উপজেলায় এটি সম্প্রসারিত হবে। - ✔
লক্ষ্যমাত্রা: আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশের বেশি যোগ্য পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা।
কঠোর তদারকিতে প্রধানমন্ত্রী: সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এই প্রকল্পের অগ্রগতি তদারকি করছেন। আজ সকালে ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের অগ্রগতি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সময়নিষ্ঠার খোঁজ নেন। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের কমিটি ইতিমধ্যে প্রকল্পের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দিয়েছে।
বাস্তবায়ন কৌশল: এবারের ফ্যামিলি কার্ডের ডেটাবেজ অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রকৃত দুস্থ ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সহায়তার পরিমাণ প্রচলিত সামাজিক ভাতার চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ হবে, যা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিতরণ করা হবে।