মাসুদ সরকার, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্তে বডার্র গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র কঠোর তৎপরতা উপেক্ষা করে চোরাকারবারীরা সীমান্ত থেকে মাদক নিয়ে আসছে।
ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য সীমান্তের ওপার থেকে আনতে চোরাচালানকারীরা এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলেনা। রাত নামলেই ওই সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা শক্রিয় হয়ে ওঠে আইনশৃঙ্খলা বাহীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে ভারতীয় ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হিরোইন, বিভিন্ন কোম্পানির নেশার ট্যাবলেট, ইনজেকশন নিয়ে আসছে।
চোরাকারবারির ওই সিন্ডিকেটের কোনো এক সদস্য বিজিবি বা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে। বিজিবি’র টহল এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় গেলেই তারা সীমান্তে গিয়ে মাদক নিয়ে আসে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার পাগলাদেওয়ান, কালুপাড়া, চকিলাম, চকচন্ডি, বস্তাবর, শিমুলতলী, আগ্রাদ্বিগুন সহ সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো দিয়ে প্রতিনিয়ত মাদকদ্রব্যের ছোট বড় চালান আসছে।
সময় সুযোগ বুঝে মাদকদ্রব্যের চালান নানান কৌশলে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌচ্ছে দিচ্ছে। অন্যদিকে সকাল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলিতে সেবনকারীরা মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে এলে বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঐ সব যানবাহন আটকালে তারা বন্ধু বা আত্নীয় বাড়িতে বেড়াতে আশার কথা বলে পার পেয়ে যায়। এ ভাবেই সীমান্তের গ্রাম গুলিতে চলছে মাদকদ্রব্যের রমরমা ব্যবসা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সীমান্তবর্তী এলাকার অনেকেই বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তায় বডার্র গার্ড বাংলাদেশ তাদের সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু কতিপয় চোরাচালানকারীর কারণে সীমান্তে চোরাচালান বন্দে ব্যর্থ হচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বডার্র গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র পত্নীতলা ১৪ ব্যাটালিয়ামের অধিনায়ক বলেন, বিজিবি’র প্রতিটি সদস্য সীমান্তের নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে। মাদককে জিরো টলারেন্সে আনতে সীমান্তে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আমরা প্রায় প্রতিনিয়ত সীমান্তবর্তী গ্রামের জনসাধারণদের সর্তক করছি সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত না করতে। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছি এক্ষেত্রে এলাকার জনসাধারণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।