শেরপুরে আবাসিক ভবনের নিচে ২৫ হাজার লিটারের তেল ট্যাংক
গোপালবাড়ীতে শিমলা ট্রেডার্সের অবৈধ তেলের আস্তানায় হানা; ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও মালামাল সরানোর নির্দেশ
আবাসিক ভবনের নিচে ‘বিস্ফোরক’ আস্তানা!
২৫ হাজার লিটার ডিজেলসহ বিশালাকার ট্যাংক উদ্ধার
শেরপুর শহরের একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় মাটির নিচে বিশালাকার ট্যাংক বানিয়ে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের প্রমাণ পেয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের গোপালবাড়ী এলাকায় এই রুদ্ধশ্বাস অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।
⚠️ অভিযানের বিবরণ ও দণ্ড:
- 📍 অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান: মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স (মালিক: তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলাল)।
- 🏗️ অবৈধ অবকাঠামো: আবাসিক ভবনের নিচতলায় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই ২৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মাটির নিচের তেলের ট্যাংক।
- 💰 শাস্তি: ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং একদিনের (শুক্রবার বিকেলের) মধ্যে সব তেল ও ট্যাংক সরানোর চূড়ান্ত নির্দেশ।
- 🔍 তদন্ত: প্রতিষ্ঠানের অন্য লাইসেন্সগুলোও বর্তমানে যাচাই-বাছাই করছে জেলা প্রশাসন।
বিপজ্জনক পরিস্থিতি: দীর্ঘদিন ধরে গোপালবাড়ী এলাকার জনবসতিপূর্ণ ভবনের নিচে অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ ডিজেল মজুত করে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন এই দুই ব্যবসায়ী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের টিম সেখানে পৌঁছালে বিশালাকার এই ট্যাংকের সন্ধান মেলে। কোনো প্রকার অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা বা নিরাপত্তা বিধি ছাড়াই এই ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের কারণ হতে পারতো।
প্রশাসনের কড়া বার্তা: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান জানান, “যেহেতু এটি একটি দাহ্য পদার্থ, তাই আবাসিক ভবনে বসবাসকারী নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সব তেল সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। তেল সরানোর পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশাসনের নজরদারিতে সম্পন্ন হবে।”