বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে থানা ও ফাঁড়িতে পুলিশ না থাকায় দুর্বৃত্তরা নানা ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি করছে। ফলে এলাকায় চুরি ডাকাতির ভয়ে মানুষ আতংকে দিন কাটাচ্ছে। বুধবার রাত থেকে এলাকায় ডাকাত আতংকে এলাকাবাসী মাইকিং করেছে। এ সময় এলাকাবাসী নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে।
জানা যায়, কালিয়াকৈর থানা ও মৌচাক পুলিশ ফাড়ি ও ফুলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্প জনগনের নিরাপওা দিয়ে আসছে। এ ছাড়া শিল্পকারখানায় শৃংখলা বজিয়ে রাখতে শিল্পপুলিশ কাজ করতো। অপরদিকে সড়কের শৃখংলায় নিয়োজিত ছিল হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ। এ ছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রন ও চুরি ডাকাতি ছিনতাই ঠেকাতে কাজ করেছে পুলিশ বাহিনী। বিশেষ সময় আনসার বাহিনীসহ আইনশৃংখলা বাহিনী কাজ করেছে। বর্তমানে ওই সকল কার্যক্রম ভাটা পড়েছে। ফলে এলাকায় ডাকাত আতংক বিরাজ করছে।
বুধবার রাত ১১টার পর এলাকার বিভিন্ন মাইকে ঘোষনা হয় বিভিন্ন এলাকায় ডাকাত পড়েছে। পরে সাধারন মানুষ সর্তক হয়ে যায়। প্রথমে খবর আসে কালিয়াকৈর থানার পার্শ্ববর্তী গাজীপুরের কাশিমপুর থানার ভবানীপুর ও লস্করচালা এবং মাধবপুর এলাকায় ডাকাত ডুকেছে। এ খবর বিভিন্ন এলাকার মসজিদেও মাইকে ঘোষনা হওয়ার পর মানুষ তৎপর হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় বেড়িয়ে আসে। এমনী করে উপজেলা ও পৌরসভার সর্বত্র এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মানুষ স্বতস্ফুতভাবে বাইরে বেড়িয়ে এসে জড়ো হয়ে পাহাড়ার ব্যবস্থা করে। ফলে ডাকাত আতংক থাকলেও কোথাও ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।
অপরদিকে রাতের অধারে কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এদিকে গত সোমবারে দুপুরে প্রকাশ্যে চন্দ্রা ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিসে হামরা চালিয়ে অফিস ভাংচুর ও ৮টি চাইনিজ রাইফেল, ৫০০ রাউন গুলি, ৪টি সটগান ও ৩২৪ রাউন সটগান গুলি লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এলাকাবাসী জানায়, সর্বত্র মসজিদের মাইকে ঘোষনা হওয়ায় ও বিভিন্ন ফেইসবুকে ও মোবাইলে যোগাযোগের ফলে ডাকাতদের কবল থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে এলাকায় দ্রুত পুলিশ ও আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা দরকার। আমরা এলাকায় ডাকাত অতংকসহ নানা জুলুম থেকে রক্ষার দাবী জানাই।